শেরপুর প্রতিনিধি:
ব্যবসার নামে অধিক লাভের প্রলোভন দেখিয়ে অন্তত ২৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে রমজান আলী নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁর গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পাওনা টাকা ফেরত পাওয়ার আশায় থানায় ভিড় করছেন ভুক্তভোগীরা। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১১ জন লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে শেরপুর জেলা শহরের দীঘারপাড় মহল্লায় তাঁর শ্বশুরবাড়ি থেকে রমজান আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি শেরপুর সদর উপজেলার রৌহা ইউনিয়নের শুনিডুবারপাড় এলাকার এনামুল হকের ছেলে।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, ব্যবসায় অধিক লাভের প্রলোভন দেখিয়ে রমজান আলী শেরপুর সদর উপজেলার বাজিতখিলা ইউনিয়ন, শেরপুর পৌরসভা ও ভাতশালা ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকার কৃষক, ধান ব্যবসায়ী এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অন্তত ২৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। টাকা নেওয়ার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানা গেছে।
তাঁর গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়লে টাকা ফেরত পাওয়ার আশায় ভুক্তভোগীরা থানায় আসতে শুরু করেন। এ পর্যন্ত ১১ জন লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তাঁদের দাবি, রমজান আলীর কাছে তাঁরা বিভিন্ন সময়ে ব্যবসায়িক লেনদেনের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ টাকা দিয়েছেন। এখন সেই টাকা ফেরত না পেলে অনেকেই আর্থিকভাবে চরম সংকটে পড়বেন বলে আশঙ্কা করছেন।
ভুক্তভোগীদের মধ্যে কৃষক, ধান ব্যবসায়ী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা রয়েছেন। তাঁদের অনেকেরই অভিযোগ, অধিক লাভের আশায় তাঁরা নিজেদের সঞ্চয় ও ব্যবসার পুঁজি বিনিয়োগ করেছিলেন। কিন্তু টাকা ফেরত না পাওয়ায় তাঁরা দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন।
ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগীরা তাঁদের পাওনা টাকা ফেরত পেতে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত রমজান আলীর বক্তব্য এবং পুলিশের বিস্তারিত তদন্তের তথ্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা যাবে। অভিযোগের সত্যতা ও অর্থের প্রকৃত পরিমাণ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
