নিজস্ব প্রতিবেদক
একটি ভবনে মোট ১২০টি ফ্ল্যাট। এর মধ্যে মাত্র ১৫টি ফ্ল্যাটে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নিজেরাই বসবাস করেন। বাকি ফ্ল্যাটগুলো ভাড়া দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। আরও অবাক করার বিষয়, অনেকেই নিজের বরাদ্দকৃত ফ্ল্যাটে ছোট একটি রুম ও কমন বাথরুম ব্যবহার করে থাকেন, আর বাকি রুমগুলো ভাড়া দিয়ে রেখেছেন।
একটি রুমের মাসিক ভাড়া যদি প্রায় ১০ হাজার টাকা হয়, তাহলে দুটি রুম ভাড়া দিয়ে মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব। একবার ভাবুন তো, বছরের পর বছর এভাবে ভাড়া দিয়ে কত টাকা আয় হয়েছে!
প্রশ্ন হলো, সরকারি কোয়ার্টার কি সরকারি চাকরিজীবীদের আবাসনের সুবিধার জন্য, নাকি ব্যক্তিগত ভাড়া ব্যবসার উদ্দেশ্যে?
যারা সরকারি কোয়ার্টার বরাদ্দ পেয়েও নিজেরা পুরোপুরি বসবাস না করে ভাড়া বাণিজ্যে জড়িত, তাদের ক্ষেত্রে সরকারি উদ্যোগ কার্যকর হলে নিশ্চয়ই পরিবর্তন আসবে। তখন হয়তো অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে নিজ গ্রামে ফিরে যেতে বাধ্য হবেন।
সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, কিছু কিছু ভাড়াটিয়ার আচরণ দেখলে মনে হয়, যেন পুরো ভবনটি তাদের নিজস্ব সম্পত্তি! অথচ সরকারি আবাসন কোনো ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়; এটি রাষ্ট্রের সম্পদ।
সরকারের এই উদ্যোগ যদি বাস্তবায়িত হয় এবং সরকারি কোয়ার্টারের অপব্যবহার বন্ধ হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের জন্য এটি হবে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ।
সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ এমন একটি উদ্যোগ নেওয়ার জন্য। আমি ব্যক্তিগতভাবে এই উদ্যোগে অত্যন্ত খুশি।
সরকারি কোয়ার্টার হোক প্রকৃত আবাসন সুবিধা, বন্ধ হোক অনিয়ম ও ভাড়া বাণিজ্য। সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হোক।
